Wellcome to National Portal
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

অফিস পরিচিতি

১৯৯১-৯২ সালে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতনের কারণে মায়ানমার হতে প্রচুর সংখ্যক রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় গ্রহন করে। বাংলাদেশ সরকার মায়ানমারের উদ্বাস্তুদেরকে মানবিক কারণে বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ দেয় এবং তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। বাংলাদেশ সরকার শরণার্থীদের জন্য বাসস্থান, ঔষধ, খাদ্য এবং বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করে। ১৯৯২ সালে গণনা পূর্বক ২,৫০,৮৭৭ জন শরণার্থীকে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। উক্ত শরণার্থীদেরকে 2 টি ক্যাম্পে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৯৩ সালে UNHCR এর সাথে সমঝোতা স্মারকের ফলে UNHCR ও WFP এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়। 

                আলোচ্য শরণার্থীদের ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৯২ সালে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় নামে একটি নতুন প্রশাসনিক কাঠামো সৃষ্টি করা হয় এবং ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে বিপুল সংখ্যাক কর্মকর্তা ও দক্ষ জনবল নিয়োজিত করা হয়। ১৯৯২ সাল থেকে ২৮শে জুলাই ২০০৫ খ্রি: পর্যন্ত সময়ে মোট ২,৩৬,৫৯৯ জন শরণার্থীকে মায়ানমারে প্রত্যাবাসন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯২৬ জন শরণার্থীকে Third countries resettled করা হয়। ১৯৯২ সালে কুতুপালং ও নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প ২ টিতে ১৩২৯ জন লিংক সদস্যসহ মোট ৩২,৭১৩ জন শরণার্থী (জম্ম-মৃত্যূ, নিকটতম (1st blood) আত্মীয় সহ অবস্থান করছে  ০১-০৪-২০১৫ খ্রিঃ: তারিখ পর্যন্ত) । ২৫ আগস্ট ২০১৭ খ্রি. এর পর হতে ৯,৪৩,৫২৯  জন আশ্রয়প্রার্থী প্রবেশ করেছে। এর আগে ‍কুতুপালং রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্প ও নয়াপাড়া রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পে শরণার্থী ছিল ৩৬,৮৪৩ জন (৪%)। বর্তমানে শিশু-৫২%, পূর্ণবয়স্ক-৪৪%, বৃদ্ধ-০৪%, প্রতিবন্ধী-১% নারী-৪,৯০,৬৩৫ জন (৫২%) ও পুরুষ-৪,৫২,৮৯৪ জন (৪৮%) রয়েছে।


Share with :

Facebook Facebook